Sunday, 4 November 2012

কৃমি নিয়ন্ত্রন


লিখেছেন
ডাঃ শিব্বির আহমেদ



আগামীকাল ৪ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে কৃমি নিয়ন্ত্রন সপ্তাহ
প্রতি বছর মে ও নভেম্বর মাসে সপ্তাহব্যাপী ৫-১২ বছর বয়সী সকল শিশুকে কৃমিনাশক বড়ি খাওয়ানো হয়।একই দিনে পরিবারের সকল সদস্যদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় কৃমিনাশক বড়ি সেবন করালে কৃমিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব।
বিদ্যালয় বহিঃর্ভূত ৫-১২ বছর বয়সী শিশুদের...ও নিকটস্থ বিদ্যালয়ে বিনামুল্যে কৃমিনাশক বড়ি সেবন করানো হবে।আসুন সকলে একসাথে কৃমিনাশক বড়ি সেবন করি এবং কৃমিনাশক বাংলাদেশ গড়ি।
কৃমি মানুষের পেটে পরজীবি হিসাবে বাস করে এবং খাবারের পুষ্টিটুকু খেয়ে ফেলে তাই মানুষ পুষ্টিহীনতায় ভোগে।কৃমি মানুষের পেট থেকে রক্ত শোষন করে,যার দরুন কৃমি আক্রান্ক ব্যক্তি রক্ত শুন্যতায় ভোগে।কৃমি বদহজম, ডায়রিয়া ও শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি করে।
প্রতিরোধ ব্যবস্থাঃ
খাবার গ্রহনের পূর্বে হাত সাবান বা ছাই দিয়ে ভালভাবে ধুয়ে নিন।ফল-মূল ইত্যাদি খাওয়ার আগে ধুয়ে নিন।নিয়মিত হাতের নখ কাটুন।স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহার করুন এবং পায়খানা ব্যবহারের পরে হাত সাবান বা ছাই দিয়ে ভালভাবে ধুয়ে নিন।জুতা ব্রবহার করুন।সুস্থ থাকুন।
সেবন পরবর্তীঃ
১.পেট ব্যাথা হলে বিশ্রামে রেখে স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পরামর্শ নেয়া।
২.পাতলা পায়খানা হলে খাবার স্যলাইন খাওয়ানো ও নিকটস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সাথে যোগাযোগ করা।

No comments:

Post a Comment

thanks...............ur comment